ফরিদপুর ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
যেভাবে দুর্বল যুদ্ধবিরতির ঝুঁকি বাড়াল হরমুজ সবজি চাষের শর্তে পাউবোর লিজের জমিতে দোতলা বাড়ি, নোটিশের দেড় বছরেও হয়নি উচ্ছেদ বিশেষ প্রতিনিধি: ইতালি প্রবাসী মাসুদ রানা হত্যা মামলা ‘রাজনৈতিক’ দেখিয়ে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে এতিম মুসলিমার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মধুখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী- স্ত্রী নিহত, পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন ফরিদপুরের একসময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাধর নেতা এখন দুর্নীতির মামলায় কোণঠাসা খন্দকার মোশাররফের শতাধিক ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ, সুইজারল্যান্ডে অবস্থানের গুঞ্জন ফরিদপুরে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, করেছে পুলিশ মধুখালীতে সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথ উদ্বোধন, ডিজিটাল সেবায় নতুন দিগন্ত মধুখালীতে ছায়া সংসদে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজয়ী দল সরকারি আইনউদ্দীন কলেজ মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

শীতে নাকাল মধুখালী,পুরোনো কাপড়ের দোকানে ভিড়

491

কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশায় মধুখালীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভোর থেকে কুয়াশায় ঢেকে রয়েছে উপজেলার সড়ক ও জনপথ। তীব্র শীতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
এদিকে ঠান্ডা কমাতে রাস্তার মোড়ে, চায়ের দোকানের সামনে ও খোলা স্থানে অনেককে লাকড়ি জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশা ঘন হয়ে সকাল পর্যন্ত পরতে থাকে। অপরদিকে, শীত নিবারণের জন্য পুরাতন কাপরের দোকান, ভ্যান গাড়ির বিভিন্নস্থানে পুরোনো কাপড়গুলোর দোকানে দেখা গেছে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণ পোশাকের চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ। অনেকেই কম দামে জ্যাকেট, সোয়েটার, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র কিনছেন।
বাজারের পুরোনো কাপড়ের দোকানে সোয়েটার, জ্যাকেট, চাদর, মাফলার, টুপি, হাতমোজা-পামোজাসহ নানা শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে সুলভ দামে। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ক্রেতারাও ভিড় করছেন এসব দোকানে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর দাম কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে একটি মাফলার ১৫০ টাকা, জ্যাকেট ৩০০ টাকা, চাদর ৩০০ টাকা, সোয়েটার ৩০০ টাকা এবং হাতমোজা বা পামোজা ২০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রিকশাচালক মোঃ জাকির শেখ বলেন, শীত খুব কষ্ট হচ্ছে। কুয়াশার কারনে একটু পরে বের হই। কিন্তু ঘরে বসে থাকলে সংসার চলবে না। তাই ঠান্ডা সামলে রিকশা চালাই। কাপর ক্রেতা হুমায়ন বলেন, আমরা গরিব মানুষ, তাই এখানে এসে অল্প দামে শীতের পোশাক কিনেছি। আমাদের মতো আরও অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ এখান থেকে কাপড় নিচ্ছে। ক্রেতা আরশি বেগম বলেন, নতুন কাপড়ের দোকানের চেয়ে এখানে ভালো মানের কাপড় তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। তাই প্রতিবছর এ বাজারে আসি। মোছাঃ কাকলী বেগম বলেন, বাচ্চা-কাচ্চাদের গরমের নতুন কাপড়ের দাম মার্কেটগুলোতে অনেক বেশি। তাই কম দামে কাপড় কেনার জন্য আসছি। পুরাতন কাপড়ের দোকানদার মোঃ আরিফ বলেন, শীত বাড়ার পর থেকে গ্রাহক অনেক বেশি, বিশেষ করে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় লেগে থাকে।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

যেভাবে দুর্বল যুদ্ধবিরতির ঝুঁকি বাড়াল হরমুজ

শীতে নাকাল মধুখালী,পুরোনো কাপড়ের দোকানে ভিড়

Update Time : ০৬:৫৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
491

কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশায় মধুখালীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভোর থেকে কুয়াশায় ঢেকে রয়েছে উপজেলার সড়ক ও জনপথ। তীব্র শীতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
এদিকে ঠান্ডা কমাতে রাস্তার মোড়ে, চায়ের দোকানের সামনে ও খোলা স্থানে অনেককে লাকড়ি জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশা ঘন হয়ে সকাল পর্যন্ত পরতে থাকে। অপরদিকে, শীত নিবারণের জন্য পুরাতন কাপরের দোকান, ভ্যান গাড়ির বিভিন্নস্থানে পুরোনো কাপড়গুলোর দোকানে দেখা গেছে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণ পোশাকের চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ। অনেকেই কম দামে জ্যাকেট, সোয়েটার, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র কিনছেন।
বাজারের পুরোনো কাপড়ের দোকানে সোয়েটার, জ্যাকেট, চাদর, মাফলার, টুপি, হাতমোজা-পামোজাসহ নানা শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে সুলভ দামে। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ক্রেতারাও ভিড় করছেন এসব দোকানে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর দাম কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে একটি মাফলার ১৫০ টাকা, জ্যাকেট ৩০০ টাকা, চাদর ৩০০ টাকা, সোয়েটার ৩০০ টাকা এবং হাতমোজা বা পামোজা ২০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রিকশাচালক মোঃ জাকির শেখ বলেন, শীত খুব কষ্ট হচ্ছে। কুয়াশার কারনে একটু পরে বের হই। কিন্তু ঘরে বসে থাকলে সংসার চলবে না। তাই ঠান্ডা সামলে রিকশা চালাই। কাপর ক্রেতা হুমায়ন বলেন, আমরা গরিব মানুষ, তাই এখানে এসে অল্প দামে শীতের পোশাক কিনেছি। আমাদের মতো আরও অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ এখান থেকে কাপড় নিচ্ছে। ক্রেতা আরশি বেগম বলেন, নতুন কাপড়ের দোকানের চেয়ে এখানে ভালো মানের কাপড় তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। তাই প্রতিবছর এ বাজারে আসি। মোছাঃ কাকলী বেগম বলেন, বাচ্চা-কাচ্চাদের গরমের নতুন কাপড়ের দাম মার্কেটগুলোতে অনেক বেশি। তাই কম দামে কাপড় কেনার জন্য আসছি। পুরাতন কাপড়ের দোকানদার মোঃ আরিফ বলেন, শীত বাড়ার পর থেকে গ্রাহক অনেক বেশি, বিশেষ করে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় লেগে থাকে।