ফরিদপুর ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী ‌বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা, নিহত ১৬ জাতীয় গ্রিডে শনিবার যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মধুখালীতে মহিলা পরিষদের আয়োজনে তরুণ-তরুণীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা মধুখালীতে ভয় দেখিয়ে ছেলের বউকে ধর্ষণ, শ্বশুরের যাবজ্জীবন ফরিদপুরে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ভাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন মধুখালীতে তিন বস্তায় ছয় টুকরো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আরও ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৮১২ Time View
1241

মধুখালী কণ্ঠ ডেস্ক :

দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১২ প্রতিষ্ঠানকে আরও ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সোমবার এই ডিম আমদানির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমদানি-রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরকে চিঠি দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ৮ অক্টোবর ৭ প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। সে হিসাবে দুই সপ্তাহে ১৯ প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৮ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ অনুমতি বলবৎ থাকবে। দেশে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কোটি ডিমের চাহিদা রয়েছে বলে মনে করা হয়।

একইসঙ্গে ডিম আমদানির ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। প্রথম শর্তটি হল এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু–মুক্ত দেশগুলো থেকে ডিম আমদানি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের সরকার নির্ধারিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকার সনদ দাখিল করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রতিটি চালানের কমপক্ষে ১৫ দিন আগে সংশ্লিষ্ট সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। চতুর্থত, অনুমতি পেলে সাত দিন পরপর এ–সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।

কয়েক দিন আগে বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়ে প্রায় ২০০ টাকা ছুঁই ছুঁই করেছিল। ১৯০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তখন সরবরাহে ঘাটতির কারণে ডিম পাওয়া যাচ্ছিল না।

আমদানির অনুমতি দেওয়ায় ডিমের দাম কমে আগের জায়গায় আসে। প্রতি ডজন ডিম এখন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

যদিও কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সম্প্রতি ডিমের ‘যৌক্তিক দাম’ নির্ধারণ করে দেয়। অধিদপ্তর জানায়, প্রতিটি ডিমের দাম হবে উৎপাদন পর্যায়ে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১১ টাকা ০১ পয়সা ও খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা। আর ডজন হবে ১৪২ টাকা ৪৪ পয়সা।

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ডিম আমদানিতে সাময়িকভাবে শুল্ক-কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। এরপর ১৭ অক্টোবর ডিম আমদানিতে করছাড় ঘোষণা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ডিম আমদানিতে শুল্কহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ শুল্ক-সুবিধা থাকবে।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

আরও ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

Update Time : ১০:০১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
1241

মধুখালী কণ্ঠ ডেস্ক :

দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১২ প্রতিষ্ঠানকে আরও ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সোমবার এই ডিম আমদানির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমদানি-রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরকে চিঠি দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ৮ অক্টোবর ৭ প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। সে হিসাবে দুই সপ্তাহে ১৯ প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৮ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ অনুমতি বলবৎ থাকবে। দেশে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কোটি ডিমের চাহিদা রয়েছে বলে মনে করা হয়।

একইসঙ্গে ডিম আমদানির ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। প্রথম শর্তটি হল এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু–মুক্ত দেশগুলো থেকে ডিম আমদানি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের সরকার নির্ধারিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকার সনদ দাখিল করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রতিটি চালানের কমপক্ষে ১৫ দিন আগে সংশ্লিষ্ট সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। চতুর্থত, অনুমতি পেলে সাত দিন পরপর এ–সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।

কয়েক দিন আগে বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়ে প্রায় ২০০ টাকা ছুঁই ছুঁই করেছিল। ১৯০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তখন সরবরাহে ঘাটতির কারণে ডিম পাওয়া যাচ্ছিল না।

আমদানির অনুমতি দেওয়ায় ডিমের দাম কমে আগের জায়গায় আসে। প্রতি ডজন ডিম এখন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

যদিও কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সম্প্রতি ডিমের ‘যৌক্তিক দাম’ নির্ধারণ করে দেয়। অধিদপ্তর জানায়, প্রতিটি ডিমের দাম হবে উৎপাদন পর্যায়ে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১১ টাকা ০১ পয়সা ও খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা। আর ডজন হবে ১৪২ টাকা ৪৪ পয়সা।

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ডিম আমদানিতে সাময়িকভাবে শুল্ক-কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। এরপর ১৭ অক্টোবর ডিম আমদানিতে করছাড় ঘোষণা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ডিম আমদানিতে শুল্কহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ শুল্ক-সুবিধা থাকবে।