ফরিদপুর ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মধুখালীতে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় মধুখালীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি গ্রন্থগার ও যাদুঘর পরিদর্শন করলেন–জেলা পরিষদের প্রশাসক ফরিদপুর চিনিকলে তিনদিন ব্যাপী ইনহাউজ প্রশিক্ষণ শুরু টেকসই ও আধুনিক পৌর নগর গঠনে মধুখালীতে ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত মধুখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ইউ.এন.ও,এসিল্যান্ডের মতবিনিময় সভা মধুখালীতে মৃত মাকে দেখতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় কর্নার মৃত্যু মাদক ও বাল্য বিবাহ নিরোধে মধুখালীতে জেলা প্রশাসকের সচেতনতামূলক সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান খাস জমি দখলমুক্ত করে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করলেন ভূমি কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা মাগরিবের নামাজ শেষ  করে ঘরে ফেরার পথে সড়ক দূর্টনায় বৃদ্ধার মৃত্যু

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মধুখালীতে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

15

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্দর শঙ্করপুর দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আলম হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ এবং কিছু নামসর্বস্ব পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৪টায় মধুখালী প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ২০১৭ সালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রকল্পে শিক্ষক নিয়োগের জন্য তিনি আবেদন করেন। পরবর্তীতে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ঢাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায়ও সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৮ সালে চাকরিতে যোগদান করেন।
তিনি বলেন, তার সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কয়েকজন আবেদনকারী অকৃতকার্য হওয়ার পর ২০১৮ সালে তার শিক্ষাগত সনদ জাল দাবি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ২০১৯ সালে একই ধরনের আরও একটি অভিযোগ দায়ের করেন তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধুখালী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক বকু ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন মধুখালী উপজেলা শাখার কেয়ারটেকার মোঃ জামাল হোসেন। অভিযোগগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের তৎকালীন প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার বেতন-ভাতা পুনরায় চালু করা হয়।
আলম হোসেন অভিযোগ করেন, মধুখালী উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কেয়ারটেকার জামাল হোসেন ও কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করছেন। তিনি দাবি করেন, জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ দায়ের করায় প্রতিহিংসাবশত এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মধুখালীতে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মধুখালীতে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৫:১৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
15

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্দর শঙ্করপুর দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আলম হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ এবং কিছু নামসর্বস্ব পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৪টায় মধুখালী প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ২০১৭ সালে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রকল্পে শিক্ষক নিয়োগের জন্য তিনি আবেদন করেন। পরবর্তীতে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ঢাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায়ও সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৮ সালে চাকরিতে যোগদান করেন।
তিনি বলেন, তার সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কয়েকজন আবেদনকারী অকৃতকার্য হওয়ার পর ২০১৮ সালে তার শিক্ষাগত সনদ জাল দাবি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ২০১৯ সালে একই ধরনের আরও একটি অভিযোগ দায়ের করেন তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধুখালী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক বকু ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন মধুখালী উপজেলা শাখার কেয়ারটেকার মোঃ জামাল হোসেন। অভিযোগগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের তৎকালীন প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার বেতন-ভাতা পুনরায় চালু করা হয়।
আলম হোসেন অভিযোগ করেন, মধুখালী উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কেয়ারটেকার জামাল হোসেন ও কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করছেন। তিনি দাবি করেন, জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ দায়ের করায় প্রতিহিংসাবশত এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।