দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে ভোগান্তির মধ্যে ফরিদপুরের মধুখালীতে কয়েক দিন ধরে এলপিজি (অটোগ্যাস) সংকটে বিপাকে পড়েছেন যানবাহনের মালিক ও চালকরা। উপজেলার একাধিক ফিলিং স্টেশনে ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আপাতত গ্যাস বন্ধ’ কিংবা ‘গ্যাস সরবরাহ বন্ধ’—এমন নোটিশ দেখা গেছে।
স্থানীয় এলপিজিচালকরা জানান, গ্যাস না থাকায় প্রতিদিন গাড়ি নিয়ে স্টেশনে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। কেউ কেউ বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করায় বেড়েছে পরিবহন খরচ। এক চালকের ভাষায়, “গাড়ি চালিয়েই সংসার চালাই। গ্যাস না পেলে গাড়ি বন্ধ রাখতে হবে, তাহলে সংসার চলবে কিভাবে?” মধুখালীর কয়েকজন রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী জানান, এলপিজি না পাওয়ায় তাদের একাধিক গাড়ি কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। গাড়ি চালু না থাকায় আয় বন্ধ থাকলেও চালক, কিস্তি ও অন্যান্য খরচ ঠিকই বহন করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এর আগে টানা লোডশেডিংয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, অফিস-আদালত ও কলকারখানার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। বর্তমানে লোডশেডিং কিছুটা কমলেও এলপিজি সংকট নতুন করে দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি, আমদানিকারক কোম্পানিগুলো পর্যাপ্ত এলপিজি সরবরাহ করছে না। তাদের ধারণা, দাম বাড়ার বিষয়টি সামনে রেখে সরবরাহ কমে থাকতে পারে। আগামী ৩ অক্টোবরের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের আশা করছেন তারা।
ভোক্তাদের দাবি, সংকটের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক এবং প্রয়োজন হলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হোক।
মফিজুর রহমান মুবিন 







