ফরিদপুর ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে নিষিদ্ধ করছে পাকিস্তান BCSP ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত, সম্মাননা পেলেন কোচ আবুল কাসেম (ভোলা) ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ হাসপাতাল ও ১ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ১১ বছরের শিশুকে একা পেয়ে যৌ/ন নিপীড়নের দায়ে প্রতিবেশীর ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড ফরিদপুরে এনআইডি প্রতারণা চক্রের এক দালাল আটক, পুলিশের কাছে সোপর্দ মধুখালীতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা চলছে, ৬৭২ প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন ৯০ জন ধলেশ্বরী নদীতে নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর তরুণীর মরদেহ উদ্ধার শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: নাহিদ ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে’

মধুখালীতে মুড়িকাটা শেষে জমজমাট হালি পেঁয়াজের চারার হাট

671

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে অনেকে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে। কেউ কেউ হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছে।
এদিকে উপজেলার পেঁয়াজচাষিরা হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন। অনেকে আবার রোপণও শুরু করেছেন। উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে নওপাড়া, মেগচামী, কোরকদী, কামারখালী, বাগাট, জাহাপুরে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়। এখানে কিং ও তাহেরপুরি এই দুই ধরনের পেঁয়াজের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। চলতি বছর উপজেলায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরকদী ইউনিয়নের পেঁয়াজচাষি কার্তিক কুমার বলেন, ‘ মুড়িকাটা উঠিয়ে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছি। হালি পেঁয়াজ রোপণে তেমন ব্যয় হয় না। বিঘাপ্রতি সব মিলে ৪০-৪৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তবে বাজারে পেঁয়াজের এমন মূল্য পেলে প্রান্তিক কৃষক অনেক লাভবান হবেন। পরবর্তী সময়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।’ আড়পাড়া ইউনিয়নের কৃষক আকরাম বলেন, ‘ ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। হালি পেয়াঁজ সারা বছর ঘরে রাখা যায়। যে কারণে মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণের ঝুঁকি রয়েছে। তবে হালি পেঁয়াজে তেমন ঝুঁকি নেই। যে কারণে অনেকে এরই মধ্যে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছেন। এই পেঁয়াজের বীজ চারা দিতে হয়। তারপর উঠিয়ে রোপণ করতে হয়। ৮০-৯০ দিনের মধ্যে এই পেঁয়াজ উঠানো সম্ভব হয়।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব ইলাহী বলেন, ‘প্রতিবছর মধুখালীতে পেঁয়াজের আবাদ বাড়ছে। এ বছর প্রায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, এ লক্ষ্যমাত্রা ছারিয়ে অর্জন হবে। বেশি ফলনের জন্য চাষিদের উন্নতমানের কয়েকটি জাতের বীজ সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছি। একই সঙ্গে চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও পরামর্শ দিয়ে থাকি।’ তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে কৃষকরা মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে বাজারজাত করছে। আবার অনেকে মুড়িকাটা উঠিয়ে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস

মধুখালীতে মুড়িকাটা শেষে জমজমাট হালি পেঁয়াজের চারার হাট

Update Time : ০৮:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
671

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে অনেকে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে। কেউ কেউ হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছে।
এদিকে উপজেলার পেঁয়াজচাষিরা হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন। অনেকে আবার রোপণও শুরু করেছেন। উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে নওপাড়া, মেগচামী, কোরকদী, কামারখালী, বাগাট, জাহাপুরে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়। এখানে কিং ও তাহেরপুরি এই দুই ধরনের পেঁয়াজের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। চলতি বছর উপজেলায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরকদী ইউনিয়নের পেঁয়াজচাষি কার্তিক কুমার বলেন, ‘ মুড়িকাটা উঠিয়ে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছি। হালি পেঁয়াজ রোপণে তেমন ব্যয় হয় না। বিঘাপ্রতি সব মিলে ৪০-৪৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তবে বাজারে পেঁয়াজের এমন মূল্য পেলে প্রান্তিক কৃষক অনেক লাভবান হবেন। পরবর্তী সময়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।’ আড়পাড়া ইউনিয়নের কৃষক আকরাম বলেন, ‘ ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। হালি পেয়াঁজ সারা বছর ঘরে রাখা যায়। যে কারণে মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণের ঝুঁকি রয়েছে। তবে হালি পেঁয়াজে তেমন ঝুঁকি নেই। যে কারণে অনেকে এরই মধ্যে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছেন। এই পেঁয়াজের বীজ চারা দিতে হয়। তারপর উঠিয়ে রোপণ করতে হয়। ৮০-৯০ দিনের মধ্যে এই পেঁয়াজ উঠানো সম্ভব হয়।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব ইলাহী বলেন, ‘প্রতিবছর মধুখালীতে পেঁয়াজের আবাদ বাড়ছে। এ বছর প্রায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, এ লক্ষ্যমাত্রা ছারিয়ে অর্জন হবে। বেশি ফলনের জন্য চাষিদের উন্নতমানের কয়েকটি জাতের বীজ সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছি। একই সঙ্গে চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও পরামর্শ দিয়ে থাকি।’ তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে কৃষকরা মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে বাজারজাত করছে। আবার অনেকে মুড়িকাটা উঠিয়ে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে।