ফরিদপুর ১১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মধুখালীতে শুকুর মামুদ স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন।  মধুখালিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা, ধানের শীষের সমর্থক কে দোষারোপ,বিএনপির সম্মেলন  মধুখালী গাজনা পূর্ণচন্দ্র বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদিন ব্যাপিবার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  ফরিদপুর ১ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা ধানের শীষের প্রার্থী নাসিরকে সমর্থন মধুখালী উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ মধুখালীতে নির্বাচনী উঠান বৈঠক স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখে দিতে প্রস্তুত ছাত্রদল মধুখালীতে ছাত্র সমাবেশে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম মধুখালীতে অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় সেনা অভিযানে অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১ মধুখালীতে ট্র্যাক চাঁপায় মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত

মধুখালীতে মুড়িকাটা শেষে জমজমাট হালি পেঁয়াজের চারার হাট

221

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে অনেকে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে। কেউ কেউ হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছে।
এদিকে উপজেলার পেঁয়াজচাষিরা হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন। অনেকে আবার রোপণও শুরু করেছেন। উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে নওপাড়া, মেগচামী, কোরকদী, কামারখালী, বাগাট, জাহাপুরে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়। এখানে কিং ও তাহেরপুরি এই দুই ধরনের পেঁয়াজের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। চলতি বছর উপজেলায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরকদী ইউনিয়নের পেঁয়াজচাষি কার্তিক কুমার বলেন, ‘ মুড়িকাটা উঠিয়ে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছি। হালি পেঁয়াজ রোপণে তেমন ব্যয় হয় না। বিঘাপ্রতি সব মিলে ৪০-৪৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তবে বাজারে পেঁয়াজের এমন মূল্য পেলে প্রান্তিক কৃষক অনেক লাভবান হবেন। পরবর্তী সময়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।’ আড়পাড়া ইউনিয়নের কৃষক আকরাম বলেন, ‘ ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। হালি পেয়াঁজ সারা বছর ঘরে রাখা যায়। যে কারণে মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণের ঝুঁকি রয়েছে। তবে হালি পেঁয়াজে তেমন ঝুঁকি নেই। যে কারণে অনেকে এরই মধ্যে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছেন। এই পেঁয়াজের বীজ চারা দিতে হয়। তারপর উঠিয়ে রোপণ করতে হয়। ৮০-৯০ দিনের মধ্যে এই পেঁয়াজ উঠানো সম্ভব হয়।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব ইলাহী বলেন, ‘প্রতিবছর মধুখালীতে পেঁয়াজের আবাদ বাড়ছে। এ বছর প্রায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, এ লক্ষ্যমাত্রা ছারিয়ে অর্জন হবে। বেশি ফলনের জন্য চাষিদের উন্নতমানের কয়েকটি জাতের বীজ সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছি। একই সঙ্গে চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও পরামর্শ দিয়ে থাকি।’ তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে কৃষকরা মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে বাজারজাত করছে। আবার অনেকে মুড়িকাটা উঠিয়ে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুখালীতে শুকুর মামুদ স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন। 

মধুখালীতে মুড়িকাটা শেষে জমজমাট হালি পেঁয়াজের চারার হাট

Update Time : ০৮:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
221

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে অনেকে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে। কেউ কেউ হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছে।
এদিকে উপজেলার পেঁয়াজচাষিরা হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন। অনেকে আবার রোপণও শুরু করেছেন। উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে নওপাড়া, মেগচামী, কোরকদী, কামারখালী, বাগাট, জাহাপুরে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়। এখানে কিং ও তাহেরপুরি এই দুই ধরনের পেঁয়াজের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। চলতি বছর উপজেলায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরকদী ইউনিয়নের পেঁয়াজচাষি কার্তিক কুমার বলেন, ‘ মুড়িকাটা উঠিয়ে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছি। হালি পেঁয়াজ রোপণে তেমন ব্যয় হয় না। বিঘাপ্রতি সব মিলে ৪০-৪৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তবে বাজারে পেঁয়াজের এমন মূল্য পেলে প্রান্তিক কৃষক অনেক লাভবান হবেন। পরবর্তী সময়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।’ আড়পাড়া ইউনিয়নের কৃষক আকরাম বলেন, ‘ ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। হালি পেয়াঁজ সারা বছর ঘরে রাখা যায়। যে কারণে মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণের ঝুঁকি রয়েছে। তবে হালি পেঁয়াজে তেমন ঝুঁকি নেই। যে কারণে অনেকে এরই মধ্যে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছেন। এই পেঁয়াজের বীজ চারা দিতে হয়। তারপর উঠিয়ে রোপণ করতে হয়। ৮০-৯০ দিনের মধ্যে এই পেঁয়াজ উঠানো সম্ভব হয়।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব ইলাহী বলেন, ‘প্রতিবছর মধুখালীতে পেঁয়াজের আবাদ বাড়ছে। এ বছর প্রায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, এ লক্ষ্যমাত্রা ছারিয়ে অর্জন হবে। বেশি ফলনের জন্য চাষিদের উন্নতমানের কয়েকটি জাতের বীজ সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছি। একই সঙ্গে চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও পরামর্শ দিয়ে থাকি।’ তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে কৃষকরা মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে বাজারজাত করছে। আবার অনেকে মুড়িকাটা উঠিয়ে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছে।