ফরিদপুর ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
যেভাবে দুর্বল যুদ্ধবিরতির ঝুঁকি বাড়াল হরমুজ সবজি চাষের শর্তে পাউবোর লিজের জমিতে দোতলা বাড়ি, নোটিশের দেড় বছরেও হয়নি উচ্ছেদ বিশেষ প্রতিনিধি: ইতালি প্রবাসী মাসুদ রানা হত্যা মামলা ‘রাজনৈতিক’ দেখিয়ে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে এতিম মুসলিমার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মধুখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী- স্ত্রী নিহত, পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন ফরিদপুরের একসময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাধর নেতা এখন দুর্নীতির মামলায় কোণঠাসা খন্দকার মোশাররফের শতাধিক ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ, সুইজারল্যান্ডে অবস্থানের গুঞ্জন ফরিদপুরে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, করেছে পুলিশ মধুখালীতে সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথ উদ্বোধন, ডিজিটাল সেবায় নতুন দিগন্ত মধুখালীতে ছায়া সংসদে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজয়ী দল সরকারি আইনউদ্দীন কলেজ মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

পেঁয়াজের ব্যাপক আমদানি দাম কম বলছেন কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ৪৮৩ Time View
149

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের মধুখালীর বিভিন্ন হাটে  পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করছেন চাষীরা। এবার পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার মধুখালী পৌরসদরের সবচেয়ে বড় বাজার শুক্রবার ও সোমবার দুদিন জমে  পেঁয়াজের হাট।  এ হাটে উপজেলার বাগাট, নওপাড়া, কোরকদী, মেগচামী, জাহাপুর, রায়পুর, কামালদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করেন চাষীরা।

মৌসুমে প্রতি হাটে মধুখালী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন আড়ৎদারের ঘর থেকে প্রায় একশত হাজার মণ পেঁয়াজ রাজধানী ঢাকা, বরিশাল, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যাপারীরা খরিদ করে নিয়ে যায়। প্রতি মণ পেঁয়াজ ১১০০ টাকা থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত পাইকাররা কিনছেন। যা খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

মধুখালী বাজারের আড়ৎদার মোঃ আতিয়ার মোল্যা বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি হয়েছে। দাম আরও পরে বাড়তে পারে।

বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা একাধিক কৃষক বলেন, মণ প্রতি খরচ করেছি এক হাজার থেকে ১১শ টাকা তা পাচ্ছি না। যে দামে বিক্রি করছি তাতে আমাদের কৃষি কাজ করে জীবন চালানো কষ্টকর। ঈদকে সামনে রেখে টাকার আশায় অনেকে নিরুপায় হয়ে এ দামেই বিক্রি করছেন।

কামালদিয়া গ্রামের কৃষক মো. মুহিদ বলেন,  প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ করি লাভের আশায় কিন্তু এ বছরেও দাম কম। তিনি জানান, প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় দুই মণ। বাজারে বর্তমান দামে লোকসান না হলেও লাভ চোখে পড়ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহাবুব ইলাহী জানান, চলতি ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে মধুখালীতে মোট মুড়িকাটা, দানা এবং হালিসহ সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। যা গত বছরে ছিল ৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

যেভাবে দুর্বল যুদ্ধবিরতির ঝুঁকি বাড়াল হরমুজ

পেঁয়াজের ব্যাপক আমদানি দাম কম বলছেন কৃষক

Update Time : ০৬:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
149

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের মধুখালীর বিভিন্ন হাটে  পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করছেন চাষীরা। এবার পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার মধুখালী পৌরসদরের সবচেয়ে বড় বাজার শুক্রবার ও সোমবার দুদিন জমে  পেঁয়াজের হাট।  এ হাটে উপজেলার বাগাট, নওপাড়া, কোরকদী, মেগচামী, জাহাপুর, রায়পুর, কামালদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করেন চাষীরা।

মৌসুমে প্রতি হাটে মধুখালী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন আড়ৎদারের ঘর থেকে প্রায় একশত হাজার মণ পেঁয়াজ রাজধানী ঢাকা, বরিশাল, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যাপারীরা খরিদ করে নিয়ে যায়। প্রতি মণ পেঁয়াজ ১১০০ টাকা থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত পাইকাররা কিনছেন। যা খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

মধুখালী বাজারের আড়ৎদার মোঃ আতিয়ার মোল্যা বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি হয়েছে। দাম আরও পরে বাড়তে পারে।

বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা একাধিক কৃষক বলেন, মণ প্রতি খরচ করেছি এক হাজার থেকে ১১শ টাকা তা পাচ্ছি না। যে দামে বিক্রি করছি তাতে আমাদের কৃষি কাজ করে জীবন চালানো কষ্টকর। ঈদকে সামনে রেখে টাকার আশায় অনেকে নিরুপায় হয়ে এ দামেই বিক্রি করছেন।

কামালদিয়া গ্রামের কৃষক মো. মুহিদ বলেন,  প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ করি লাভের আশায় কিন্তু এ বছরেও দাম কম। তিনি জানান, প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় দুই মণ। বাজারে বর্তমান দামে লোকসান না হলেও লাভ চোখে পড়ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহাবুব ইলাহী জানান, চলতি ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে মধুখালীতে মোট মুড়িকাটা, দানা এবং হালিসহ সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। যা গত বছরে ছিল ৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর।