ফরিদপুর ১০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মধুখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার, চুরির কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি উদ্ধার মধুখালীতে মধুমতি নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ড্রেজার মেশিন জব্দসহ একজন আটক মধুখালীতে দুই কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর: মধুখালীতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মধুখালীতে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় মধুখালীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি গ্রন্থগার ও যাদুঘর পরিদর্শন করলেন–জেলা পরিষদের প্রশাসক ফরিদপুর চিনিকলে তিনদিন ব্যাপী ইনহাউজ প্রশিক্ষণ শুরু টেকসই ও আধুনিক পৌর নগর গঠনে মধুখালীতে ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পেঁয়াজের ব্যাপক আমদানি দাম কম বলছেন কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ৫৩৮ Time View
208

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের মধুখালীর বিভিন্ন হাটে  পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করছেন চাষীরা। এবার পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার মধুখালী পৌরসদরের সবচেয়ে বড় বাজার শুক্রবার ও সোমবার দুদিন জমে  পেঁয়াজের হাট।  এ হাটে উপজেলার বাগাট, নওপাড়া, কোরকদী, মেগচামী, জাহাপুর, রায়পুর, কামালদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করেন চাষীরা।

মৌসুমে প্রতি হাটে মধুখালী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন আড়ৎদারের ঘর থেকে প্রায় একশত হাজার মণ পেঁয়াজ রাজধানী ঢাকা, বরিশাল, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যাপারীরা খরিদ করে নিয়ে যায়। প্রতি মণ পেঁয়াজ ১১০০ টাকা থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত পাইকাররা কিনছেন। যা খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

মধুখালী বাজারের আড়ৎদার মোঃ আতিয়ার মোল্যা বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি হয়েছে। দাম আরও পরে বাড়তে পারে।

বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা একাধিক কৃষক বলেন, মণ প্রতি খরচ করেছি এক হাজার থেকে ১১শ টাকা তা পাচ্ছি না। যে দামে বিক্রি করছি তাতে আমাদের কৃষি কাজ করে জীবন চালানো কষ্টকর। ঈদকে সামনে রেখে টাকার আশায় অনেকে নিরুপায় হয়ে এ দামেই বিক্রি করছেন।

কামালদিয়া গ্রামের কৃষক মো. মুহিদ বলেন,  প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ করি লাভের আশায় কিন্তু এ বছরেও দাম কম। তিনি জানান, প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় দুই মণ। বাজারে বর্তমান দামে লোকসান না হলেও লাভ চোখে পড়ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহাবুব ইলাহী জানান, চলতি ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে মধুখালীতে মোট মুড়িকাটা, দানা এবং হালিসহ সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। যা গত বছরে ছিল ৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার, চুরির কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি উদ্ধার

পেঁয়াজের ব্যাপক আমদানি দাম কম বলছেন কৃষক

Update Time : ০৬:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
208

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের মধুখালীর বিভিন্ন হাটে  পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করছেন চাষীরা। এবার পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার মধুখালী পৌরসদরের সবচেয়ে বড় বাজার শুক্রবার ও সোমবার দুদিন জমে  পেঁয়াজের হাট।  এ হাটে উপজেলার বাগাট, নওপাড়া, কোরকদী, মেগচামী, জাহাপুর, রায়পুর, কামালদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করেন চাষীরা।

মৌসুমে প্রতি হাটে মধুখালী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন আড়ৎদারের ঘর থেকে প্রায় একশত হাজার মণ পেঁয়াজ রাজধানী ঢাকা, বরিশাল, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যাপারীরা খরিদ করে নিয়ে যায়। প্রতি মণ পেঁয়াজ ১১০০ টাকা থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত পাইকাররা কিনছেন। যা খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

মধুখালী বাজারের আড়ৎদার মোঃ আতিয়ার মোল্যা বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি হয়েছে। দাম আরও পরে বাড়তে পারে।

বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা একাধিক কৃষক বলেন, মণ প্রতি খরচ করেছি এক হাজার থেকে ১১শ টাকা তা পাচ্ছি না। যে দামে বিক্রি করছি তাতে আমাদের কৃষি কাজ করে জীবন চালানো কষ্টকর। ঈদকে সামনে রেখে টাকার আশায় অনেকে নিরুপায় হয়ে এ দামেই বিক্রি করছেন।

কামালদিয়া গ্রামের কৃষক মো. মুহিদ বলেন,  প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ করি লাভের আশায় কিন্তু এ বছরেও দাম কম। তিনি জানান, প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় দুই মণ। বাজারে বর্তমান দামে লোকসান না হলেও লাভ চোখে পড়ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহাবুব ইলাহী জানান, চলতি ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে মধুখালীতে মোট মুড়িকাটা, দানা এবং হালিসহ সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। যা গত বছরে ছিল ৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর।