ফরিদপুর ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী ‌বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা, নিহত ১৬ জাতীয় গ্রিডে শনিবার যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মধুখালীতে মহিলা পরিষদের আয়োজনে তরুণ-তরুণীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা মধুখালীতে ভয় দেখিয়ে ছেলের বউকে ধর্ষণ, শ্বশুরের যাবজ্জীবন ফরিদপুরে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ভাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন মধুখালীতে তিন বস্তায় ছয় টুকরো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ফরিদপুরে মাছ ধরার পলো উৎসবে হাজারো মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
  • ৫০৯ Time View
320

শহর প্রতিনিধিঃ
‘মাছ ধরার পলো উৎসব’ গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্য। আগে এই উৎসব সচরাচর দেখা গেলেও বর্তমানে তা খুব একটা দেখা যায় না। ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চরবিষ্ণুপুর এলাকার কাইজার বিলে মাছ ধরার পলো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মানুষ অংশ নেয় এই উৎসবে।

সূর্য উদয়ের পূর্বেই হাজারো মানুষের ঢল নামে কাইজার কোল নামক বিল এলাকাটিতে। কারো হাতে পলো, কারো হাতে জাল সহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরন। দূর দূরান্ত থেকে পলো হাতে নিয়ে পায়ে হেটে আনন্দ ফুর্তি করতে করতে মাছ ধরার উৎসবে এসেছেন নানা বয়সী মানুষ। উৎসবে কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও অংশ নেন।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টায় ফরিদপুর সদর উপজেলায় কাইজার কোলে পলো উৎসবের আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী চলে এই উৎসব। হাটু পানি থেকে মাজা পানিতে শত শত মানুষ মাছ ধরতে নামে।

পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসব দেখতে কোলের পাশের চারপাশের রাস্তায় অবস্থান নেয় নারী-পুরুষ সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। এধরনের উৎসবে এসে খুশি আগতরা। তারা জানালেন, এধরনের হারিয়ে যাওয়া উৎসব দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। মাছ ধরতে কোলে নামা মানুষগুলো জানালেন তাদের অনুভুতির কথা।

প্রকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠা দেশী প্রজাতিসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আছে বিলটিতে। তাই মাছ মারার আগ্রহীরা জড়ো হন এখানে। তবে বিলে প্রচুর কচুরিপানা ও ঘাসপাতা থাতায় মাছ ধরতে বেগ পেতে হয় তাদের।

আয়োজকরা জানালেন, গত দুই দিন যাবৎ পলো উৎসবের মাইকিং করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া এমন উৎসবে যোগ দিয়েছেন হাজারো মানুষ। এই কোলে, চায়না দোয়ারী, কারেন্ট জাল, ভেসাল দিয়ে মাছ মারা হতো। প্রশাসন এটা বন্ধ করায় আমরা এই উৎসবের আয়োজন করেছি। হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন। প্রতিবছর যাতে এধরনের আয়োজন করতে পারি, সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

আয়োজকরা, পলো উৎসব।

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য পলো উৎসব ধরে রাখতে প্রতিবছর আয়োজন করা হোক এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে মাছ ধরার পলো উৎসবে হাজারো মানুষ

Update Time : ০৬:০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
320

শহর প্রতিনিধিঃ
‘মাছ ধরার পলো উৎসব’ গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্য। আগে এই উৎসব সচরাচর দেখা গেলেও বর্তমানে তা খুব একটা দেখা যায় না। ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চরবিষ্ণুপুর এলাকার কাইজার বিলে মাছ ধরার পলো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মানুষ অংশ নেয় এই উৎসবে।

সূর্য উদয়ের পূর্বেই হাজারো মানুষের ঢল নামে কাইজার কোল নামক বিল এলাকাটিতে। কারো হাতে পলো, কারো হাতে জাল সহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরন। দূর দূরান্ত থেকে পলো হাতে নিয়ে পায়ে হেটে আনন্দ ফুর্তি করতে করতে মাছ ধরার উৎসবে এসেছেন নানা বয়সী মানুষ। উৎসবে কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও অংশ নেন।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টায় ফরিদপুর সদর উপজেলায় কাইজার কোলে পলো উৎসবের আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী চলে এই উৎসব। হাটু পানি থেকে মাজা পানিতে শত শত মানুষ মাছ ধরতে নামে।

পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসব দেখতে কোলের পাশের চারপাশের রাস্তায় অবস্থান নেয় নারী-পুরুষ সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। এধরনের উৎসবে এসে খুশি আগতরা। তারা জানালেন, এধরনের হারিয়ে যাওয়া উৎসব দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। মাছ ধরতে কোলে নামা মানুষগুলো জানালেন তাদের অনুভুতির কথা।

প্রকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠা দেশী প্রজাতিসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আছে বিলটিতে। তাই মাছ মারার আগ্রহীরা জড়ো হন এখানে। তবে বিলে প্রচুর কচুরিপানা ও ঘাসপাতা থাতায় মাছ ধরতে বেগ পেতে হয় তাদের।

আয়োজকরা জানালেন, গত দুই দিন যাবৎ পলো উৎসবের মাইকিং করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া এমন উৎসবে যোগ দিয়েছেন হাজারো মানুষ। এই কোলে, চায়না দোয়ারী, কারেন্ট জাল, ভেসাল দিয়ে মাছ মারা হতো। প্রশাসন এটা বন্ধ করায় আমরা এই উৎসবের আয়োজন করেছি। হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন। প্রতিবছর যাতে এধরনের আয়োজন করতে পারি, সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

আয়োজকরা, পলো উৎসব।

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য পলো উৎসব ধরে রাখতে প্রতিবছর আয়োজন করা হোক এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।