ফরিদপুর ১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
যেভাবে দুর্বল যুদ্ধবিরতির ঝুঁকি বাড়াল হরমুজ সবজি চাষের শর্তে পাউবোর লিজের জমিতে দোতলা বাড়ি, নোটিশের দেড় বছরেও হয়নি উচ্ছেদ বিশেষ প্রতিনিধি: ইতালি প্রবাসী মাসুদ রানা হত্যা মামলা ‘রাজনৈতিক’ দেখিয়ে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে এতিম মুসলিমার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মধুখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী- স্ত্রী নিহত, পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন ফরিদপুরের একসময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাধর নেতা এখন দুর্নীতির মামলায় কোণঠাসা খন্দকার মোশাররফের শতাধিক ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ, সুইজারল্যান্ডে অবস্থানের গুঞ্জন ফরিদপুরে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, করেছে পুলিশ মধুখালীতে সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথ উদ্বোধন, ডিজিটাল সেবায় নতুন দিগন্ত মধুখালীতে ছায়া সংসদে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজয়ী দল সরকারি আইনউদ্দীন কলেজ মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে মাছ ধরার পলো উৎসবে হাজারো মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩৫২ Time View
154

শহর প্রতিনিধিঃ
‘মাছ ধরার পলো উৎসব’ গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্য। আগে এই উৎসব সচরাচর দেখা গেলেও বর্তমানে তা খুব একটা দেখা যায় না। ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চরবিষ্ণুপুর এলাকার কাইজার বিলে মাছ ধরার পলো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মানুষ অংশ নেয় এই উৎসবে।

সূর্য উদয়ের পূর্বেই হাজারো মানুষের ঢল নামে কাইজার কোল নামক বিল এলাকাটিতে। কারো হাতে পলো, কারো হাতে জাল সহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরন। দূর দূরান্ত থেকে পলো হাতে নিয়ে পায়ে হেটে আনন্দ ফুর্তি করতে করতে মাছ ধরার উৎসবে এসেছেন নানা বয়সী মানুষ। উৎসবে কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও অংশ নেন।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টায় ফরিদপুর সদর উপজেলায় কাইজার কোলে পলো উৎসবের আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী চলে এই উৎসব। হাটু পানি থেকে মাজা পানিতে শত শত মানুষ মাছ ধরতে নামে।

পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসব দেখতে কোলের পাশের চারপাশের রাস্তায় অবস্থান নেয় নারী-পুরুষ সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। এধরনের উৎসবে এসে খুশি আগতরা। তারা জানালেন, এধরনের হারিয়ে যাওয়া উৎসব দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। মাছ ধরতে কোলে নামা মানুষগুলো জানালেন তাদের অনুভুতির কথা।

প্রকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠা দেশী প্রজাতিসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আছে বিলটিতে। তাই মাছ মারার আগ্রহীরা জড়ো হন এখানে। তবে বিলে প্রচুর কচুরিপানা ও ঘাসপাতা থাতায় মাছ ধরতে বেগ পেতে হয় তাদের।

আয়োজকরা জানালেন, গত দুই দিন যাবৎ পলো উৎসবের মাইকিং করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া এমন উৎসবে যোগ দিয়েছেন হাজারো মানুষ। এই কোলে, চায়না দোয়ারী, কারেন্ট জাল, ভেসাল দিয়ে মাছ মারা হতো। প্রশাসন এটা বন্ধ করায় আমরা এই উৎসবের আয়োজন করেছি। হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন। প্রতিবছর যাতে এধরনের আয়োজন করতে পারি, সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

আয়োজকরা, পলো উৎসব।

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য পলো উৎসব ধরে রাখতে প্রতিবছর আয়োজন করা হোক এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

যেভাবে দুর্বল যুদ্ধবিরতির ঝুঁকি বাড়াল হরমুজ

ফরিদপুরে মাছ ধরার পলো উৎসবে হাজারো মানুষ

Update Time : ০৬:০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
154

শহর প্রতিনিধিঃ
‘মাছ ধরার পলো উৎসব’ গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্য। আগে এই উৎসব সচরাচর দেখা গেলেও বর্তমানে তা খুব একটা দেখা যায় না। ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চরবিষ্ণুপুর এলাকার কাইজার বিলে মাছ ধরার পলো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মানুষ অংশ নেয় এই উৎসবে।

সূর্য উদয়ের পূর্বেই হাজারো মানুষের ঢল নামে কাইজার কোল নামক বিল এলাকাটিতে। কারো হাতে পলো, কারো হাতে জাল সহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরন। দূর দূরান্ত থেকে পলো হাতে নিয়ে পায়ে হেটে আনন্দ ফুর্তি করতে করতে মাছ ধরার উৎসবে এসেছেন নানা বয়সী মানুষ। উৎসবে কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও অংশ নেন।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টায় ফরিদপুর সদর উপজেলায় কাইজার কোলে পলো উৎসবের আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী চলে এই উৎসব। হাটু পানি থেকে মাজা পানিতে শত শত মানুষ মাছ ধরতে নামে।

পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসব দেখতে কোলের পাশের চারপাশের রাস্তায় অবস্থান নেয় নারী-পুরুষ সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। এধরনের উৎসবে এসে খুশি আগতরা। তারা জানালেন, এধরনের হারিয়ে যাওয়া উৎসব দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। মাছ ধরতে কোলে নামা মানুষগুলো জানালেন তাদের অনুভুতির কথা।

প্রকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠা দেশী প্রজাতিসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আছে বিলটিতে। তাই মাছ মারার আগ্রহীরা জড়ো হন এখানে। তবে বিলে প্রচুর কচুরিপানা ও ঘাসপাতা থাতায় মাছ ধরতে বেগ পেতে হয় তাদের।

আয়োজকরা জানালেন, গত দুই দিন যাবৎ পলো উৎসবের মাইকিং করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া এমন উৎসবে যোগ দিয়েছেন হাজারো মানুষ। এই কোলে, চায়না দোয়ারী, কারেন্ট জাল, ভেসাল দিয়ে মাছ মারা হতো। প্রশাসন এটা বন্ধ করায় আমরা এই উৎসবের আয়োজন করেছি। হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন। প্রতিবছর যাতে এধরনের আয়োজন করতে পারি, সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

আয়োজকরা, পলো উৎসব।

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য পলো উৎসব ধরে রাখতে প্রতিবছর আয়োজন করা হোক এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।