ফরিদপুর ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী ‌বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা, নিহত ১৬ জাতীয় গ্রিডে শনিবার যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মধুখালীতে মহিলা পরিষদের আয়োজনে তরুণ-তরুণীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা মধুখালীতে ভয় দেখিয়ে ছেলের বউকে ধর্ষণ, শ্বশুরের যাবজ্জীবন ফরিদপুরে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ভাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন মধুখালীতে তিন বস্তায় ছয় টুকরো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

মধুখালীতে মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে ৫গ্রামের মানুষ দিশেহারা নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ মোনাজাত

321

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গয়েশপুর , বকসিপুর , জারজরনগর, বিজয় নগর, চরকসুন্দি এই পাঁচ গ্রামের মানুষ মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের থেকে রক্ষা পেতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে জন্মস্থান আর বিভিন্ন স্থাপনাকে রক্ষা করতে করছেন বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা।
নানা অফিসে এলাকার মানুষ ঘুরে ঘুরে ভাঙ্গনের হাত থেকে কোন প্রকার প্রতিকার না পেয়ে এই নদীর ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসি স্থানীয় মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার মাওলানা ইয়াসির আরাফাত। এতে অংশ নেন য়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ভাঙ্গন কবলিত ৫ গ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষ।
এ মোনাজাতে অংশ নিয়ে আকবর মন্ডল, নজরুল ইসলাম, বাহের ফকির, গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার তাওহীদুল ইসলাম বলেন, নদীর পানি কমার সাথে সাথে প্রায় ১৫দিন ধরে নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে এত করে প্রতিদিনই কৃষি জমি ভেঙ্গে পড়েছে। আরো ভাঙ্গন ঝুকিতে রয়েছে কৃষি জমি, বাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদ।
এলাকাবাসি আরো জানান ইতিমধ্যে ওই গ্রামগুলোর ২০টি বাড়ি ও অনেক কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি হাই স্কুল, ৭টি মসজিদ, ১টি মাদ্রাসাসহ অসংখ্য স্থাপনা। এলাকাবাসি যথাযথ কতৃর্পক্ষের কাছে নদী ভাঙ্গনরোধে বাঁধ ণির্মানের জোর দাবি জানিয়ে আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যপারে কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী বলেন আমি এই গ্রামগুলো ও কৃষিজমি এবং ঘরবাড়ী মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো রক্ষার্থে ইতমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযেগ করেছি।
নদী ভাঙ্গনরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ফরিদপুর জেলা উপ—বিভাগীয় প্রকৌশলী সন্তোষ কর্মকার জানান আমরা বিষয়ে উপরোন্ত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

মধুখালীতে মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে ৫গ্রামের মানুষ দিশেহারা নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ মোনাজাত

Update Time : ০৫:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪
321

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গয়েশপুর , বকসিপুর , জারজরনগর, বিজয় নগর, চরকসুন্দি এই পাঁচ গ্রামের মানুষ মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের থেকে রক্ষা পেতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে জন্মস্থান আর বিভিন্ন স্থাপনাকে রক্ষা করতে করছেন বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা।
নানা অফিসে এলাকার মানুষ ঘুরে ঘুরে ভাঙ্গনের হাত থেকে কোন প্রকার প্রতিকার না পেয়ে এই নদীর ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসি স্থানীয় মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার মাওলানা ইয়াসির আরাফাত। এতে অংশ নেন য়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ভাঙ্গন কবলিত ৫ গ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষ।
এ মোনাজাতে অংশ নিয়ে আকবর মন্ডল, নজরুল ইসলাম, বাহের ফকির, গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার তাওহীদুল ইসলাম বলেন, নদীর পানি কমার সাথে সাথে প্রায় ১৫দিন ধরে নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে এত করে প্রতিদিনই কৃষি জমি ভেঙ্গে পড়েছে। আরো ভাঙ্গন ঝুকিতে রয়েছে কৃষি জমি, বাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদ।
এলাকাবাসি আরো জানান ইতিমধ্যে ওই গ্রামগুলোর ২০টি বাড়ি ও অনেক কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি হাই স্কুল, ৭টি মসজিদ, ১টি মাদ্রাসাসহ অসংখ্য স্থাপনা। এলাকাবাসি যথাযথ কতৃর্পক্ষের কাছে নদী ভাঙ্গনরোধে বাঁধ ণির্মানের জোর দাবি জানিয়ে আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যপারে কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী বলেন আমি এই গ্রামগুলো ও কৃষিজমি এবং ঘরবাড়ী মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো রক্ষার্থে ইতমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযেগ করেছি।
নদী ভাঙ্গনরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ফরিদপুর জেলা উপ—বিভাগীয় প্রকৌশলী সন্তোষ কর্মকার জানান আমরা বিষয়ে উপরোন্ত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি।