ফরিদপুর ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী ‌বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরের মসজিদে বোমা হামলা, নিহত ১৬ জাতীয় গ্রিডে শনিবার যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মধুখালীতে মহিলা পরিষদের আয়োজনে তরুণ-তরুণীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা মধুখালীতে ভয় দেখিয়ে ছেলের বউকে ধর্ষণ, শ্বশুরের যাবজ্জীবন ফরিদপুরে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ভাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন মধুখালীতে তিন বস্তায় ছয় টুকরো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ইউনেসকো থেকে সদস্য পদ প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • ১৫৩৬ Time View
1237
অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান প্রতিষ্ঠার জন্য সুপরিচিত জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা সংস্থা ইউনেসকো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা দাবি করেছে, ‘সংস্থাটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পক্ষপাতী ও বিভাজনমূলক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এজেন্ডা প্রচার করে।’

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেছেন, ‘ইউনেসকোতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ এখন আর জাতীয় স্বার্থের মধ্যে পড়ে না।’

এ পদক্ষেপটি অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালে তার প্রথম মেয়াদে ইউনেসকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সদস্য পদ ফিরে পায়।

 

ব্রুস আরো বলেন, ইউনেসকো জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে অতিরিক্ত মনোযোগী। এটিকে তিনি ‘বিশ্বায়নবাদী, মতাদর্শিক এজেন্ডা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ব্রুস ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটির ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ইউনেসকোর ফিলিস্তিনকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সমস্যা সৃষ্টিকারী। এটি যুক্তরাষ্ট্রের নীতির পরিপন্থী ও সংস্থাটির মধ্যে ইসরায়েলবিরোধী বক্তব্যের বিস্তার ঘটিয়েছে।’

জাতিসংঘের সংস্থাটি শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়ার প্রচারে নিজের লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করে।

এটি অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ, আফ্রিকার সেরেঙ্গেটি, এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস ও মিসরের পিরামিডসহ অসংখ্য স্থাপনা সংরক্ষণের লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

 

ট্রাম্পই উইনেসকো থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করা প্রথম প্রেসিডেন্ট নন। এর সংস্থাটিকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও সোভিয়েতপন্থী বলে আখ্যা দিয়ে ১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান ইউনেসকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। পরে জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় যুক্তরাষ্ট্র আবার সংস্থাটিতে ফিরে আসে।

সূত্র : এএফপি

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

ইউনেসকো থেকে সদস্য পদ প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

Update Time : ০৮:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
1237
অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান প্রতিষ্ঠার জন্য সুপরিচিত জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা সংস্থা ইউনেসকো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা দাবি করেছে, ‘সংস্থাটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পক্ষপাতী ও বিভাজনমূলক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এজেন্ডা প্রচার করে।’

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেছেন, ‘ইউনেসকোতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ এখন আর জাতীয় স্বার্থের মধ্যে পড়ে না।’

এ পদক্ষেপটি অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালে তার প্রথম মেয়াদে ইউনেসকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সদস্য পদ ফিরে পায়।

 

ব্রুস আরো বলেন, ইউনেসকো জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে অতিরিক্ত মনোযোগী। এটিকে তিনি ‘বিশ্বায়নবাদী, মতাদর্শিক এজেন্ডা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ব্রুস ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটির ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ইউনেসকোর ফিলিস্তিনকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সমস্যা সৃষ্টিকারী। এটি যুক্তরাষ্ট্রের নীতির পরিপন্থী ও সংস্থাটির মধ্যে ইসরায়েলবিরোধী বক্তব্যের বিস্তার ঘটিয়েছে।’

জাতিসংঘের সংস্থাটি শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়ার প্রচারে নিজের লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করে।

এটি অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ, আফ্রিকার সেরেঙ্গেটি, এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস ও মিসরের পিরামিডসহ অসংখ্য স্থাপনা সংরক্ষণের লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

 

ট্রাম্পই উইনেসকো থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করা প্রথম প্রেসিডেন্ট নন। এর সংস্থাটিকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও সোভিয়েতপন্থী বলে আখ্যা দিয়ে ১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান ইউনেসকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। পরে জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় যুক্তরাষ্ট্র আবার সংস্থাটিতে ফিরে আসে।

সূত্র : এএফপি