ফরিদপুর ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে নিষিদ্ধ করছে পাকিস্তান BCSP ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত, সম্মাননা পেলেন কোচ আবুল কাসেম (ভোলা) ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ হাসপাতাল ও ১ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ১১ বছরের শিশুকে একা পেয়ে যৌ/ন নিপীড়নের দায়ে প্রতিবেশীর ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড ফরিদপুরে এনআইডি প্রতারণা চক্রের এক দালাল আটক, পুলিশের কাছে সোপর্দ মধুখালীতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা চলছে, ৬৭২ প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন ৯০ জন ধলেশ্বরী নদীতে নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর তরুণীর মরদেহ উদ্ধার শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: নাহিদ ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে’

মধুখালীতে মিষ্টি কুমড়ার হাট বৃষ্টিতে গাছ মারা যাওয়ায় ফলন কম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ৪৩৯ Time View
268

সালেহীন সোয়াদ, মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় মরিচ ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করে চাষিরা। বাড়তি সার ও কীটনাশক ছাড়াই স্বল্প খরচে বিষমুক্ত সবজি মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন করে ভাল দাম পায় কৃষকেরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে চাষিরা মরিচ ক্ষেতের মধ্যেই সাথী ফসল হিসাবে মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপণ করেন। কুমড়ার বীজ লাগাতে কোন প্রকার চাষাবাদ করতে হয় না। বাড়তি সার ও কীটনাশক ছাড়াই বেড়ে উঠে মিষ্টি কুমড়া। ৬০ থেকে ৬৫ দিনের মাথায় চাষিরা মিষ্টি কুমড়া বাজারজাত করতে পারেন।

সরজমিনে সোমবার দুপুর ১২টায় কুমড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, উৎপাদিত কুমড়া স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বিভিন্ন জেলাতেও পাঠানো হচ্ছে। প্রতি হেক্টর জমিতে সবমিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা, আর কুমড়া বিক্রয় হয় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। চাষিরা এখন কুমড়া বাজারজাতকরণে ব্যস্ত। গতবারের তুলনায় ফলন এ বছর অনেক কম।

মধুখালী বাজারে আসা চর বাসপুর গ্রামের চাষী মোঃ জয়নাল জানায়, ৪ পাখি জমিতে কুমড়ার চাষ করেছিছি। বৃষ্টিতে গাছ মারা যাওয়ায় ফলন অনেক কম হয়েছে। ছোট থাকতেই বাজারে নিয়ে এসেছি। প্রতিপিস কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করছি।

ব্যবসায়ী মোঃ চয়ন শেখ জানায়, আমাদের এলাকার মিস্টি কুমড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এখান থেকে মিস্টি কুমড়া নিমশা, সাতক্ষীরা,  মাগুরা, মানিকগঞ্জ, যশোর, খুলনা,  ঢাকা,গোপালগঞ্জ সহ কয়েকটি জেলায় চলে যায়।

মধুখালী বাজারের কুমড়া আরৎের ব্যবসায়ী মোঃ আলম শেখ জানান এ বছর ফলন কম হওয়ায় কুমড়ার আমদানি কিছুটা কম। আমরা প্রতিকেজি কাচাঁ কুমড়া ১০ থেকে ১২ টাকা এবং পাকা কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় ক্রয় করছি। এছারাও কুমড়া ভেদে প্রতিটি চুকতা বা লট ১২শো থেকে ১৫শো পর্যন্ত ক্রয় বিক্রয় করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মাহবুব ইলাহী এ প্রতিনিধিকে বলেন, কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে কুমড়ো চাষে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। উপজেলায় এ বছর ২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে কুমড়ার চাষ করা হয়েছে। লক্ষমাত্রা ছিল ১ হাজার ৯১৫ হেক্টর। মিষ্টি কুমড়ার ফলন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস

মধুখালীতে মিষ্টি কুমড়ার হাট বৃষ্টিতে গাছ মারা যাওয়ায় ফলন কম

Update Time : ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
268

সালেহীন সোয়াদ, মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় মরিচ ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করে চাষিরা। বাড়তি সার ও কীটনাশক ছাড়াই স্বল্প খরচে বিষমুক্ত সবজি মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন করে ভাল দাম পায় কৃষকেরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে চাষিরা মরিচ ক্ষেতের মধ্যেই সাথী ফসল হিসাবে মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপণ করেন। কুমড়ার বীজ লাগাতে কোন প্রকার চাষাবাদ করতে হয় না। বাড়তি সার ও কীটনাশক ছাড়াই বেড়ে উঠে মিষ্টি কুমড়া। ৬০ থেকে ৬৫ দিনের মাথায় চাষিরা মিষ্টি কুমড়া বাজারজাত করতে পারেন।

সরজমিনে সোমবার দুপুর ১২টায় কুমড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, উৎপাদিত কুমড়া স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বিভিন্ন জেলাতেও পাঠানো হচ্ছে। প্রতি হেক্টর জমিতে সবমিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা, আর কুমড়া বিক্রয় হয় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। চাষিরা এখন কুমড়া বাজারজাতকরণে ব্যস্ত। গতবারের তুলনায় ফলন এ বছর অনেক কম।

মধুখালী বাজারে আসা চর বাসপুর গ্রামের চাষী মোঃ জয়নাল জানায়, ৪ পাখি জমিতে কুমড়ার চাষ করেছিছি। বৃষ্টিতে গাছ মারা যাওয়ায় ফলন অনেক কম হয়েছে। ছোট থাকতেই বাজারে নিয়ে এসেছি। প্রতিপিস কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করছি।

ব্যবসায়ী মোঃ চয়ন শেখ জানায়, আমাদের এলাকার মিস্টি কুমড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এখান থেকে মিস্টি কুমড়া নিমশা, সাতক্ষীরা,  মাগুরা, মানিকগঞ্জ, যশোর, খুলনা,  ঢাকা,গোপালগঞ্জ সহ কয়েকটি জেলায় চলে যায়।

মধুখালী বাজারের কুমড়া আরৎের ব্যবসায়ী মোঃ আলম শেখ জানান এ বছর ফলন কম হওয়ায় কুমড়ার আমদানি কিছুটা কম। আমরা প্রতিকেজি কাচাঁ কুমড়া ১০ থেকে ১২ টাকা এবং পাকা কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় ক্রয় করছি। এছারাও কুমড়া ভেদে প্রতিটি চুকতা বা লট ১২শো থেকে ১৫শো পর্যন্ত ক্রয় বিক্রয় করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মাহবুব ইলাহী এ প্রতিনিধিকে বলেন, কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে কুমড়ো চাষে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। উপজেলায় এ বছর ২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে কুমড়ার চাষ করা হয়েছে। লক্ষমাত্রা ছিল ১ হাজার ৯১৫ হেক্টর। মিষ্টি কুমড়ার ফলন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন।