ফরিদপুর ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মধুখালীতে শুকুর মামুদ স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন।  মধুখালিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা, ধানের শীষের সমর্থক কে দোষারোপ,বিএনপির সম্মেলন  মধুখালী গাজনা পূর্ণচন্দ্র বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদিন ব্যাপিবার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  ফরিদপুর ১ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা ধানের শীষের প্রার্থী নাসিরকে সমর্থন মধুখালী উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ মধুখালীতে নির্বাচনী উঠান বৈঠক স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখে দিতে প্রস্তুত ছাত্রদল মধুখালীতে ছাত্র সমাবেশে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম মধুখালীতে অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় সেনা অভিযানে অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১ মধুখালীতে ট্র্যাক চাঁপায় মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত

মধুখালীতে জমজমাট আনারসের বাজার

51

সালেহীন সোয়াদ

ফরিদপুরের মধুখালী বাজারে উঠেছে নানান জাতের আনারস। আর ক্রেতারাও এসব আনারস কিনছেন বেশ আগ্রহ নিয়েই। কারণ ক্লান্তি দূর করতে টক-মিষ্টি স্বাদের বিভিন্ন ফলের জুড়ি নেই। সে হিসেবে সকলের কাছে পছন্দের তালিকায় রয়েছে রসালো ফল আনারস। সকালে মধুখালী আখচাষী কল্যাণ ভবনের সামনে দেখা যায়, তিনটি স্থানে ১৫টি থেকে ২০টি ভ্যানগাড়িতে আনারস সাজানো হয়েছে। এগুলো ভ্যান গাড়িতে করে বিক্রি করা হবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

একেক স্থানে একেক জাতের ছোট, মাঝারি এবং বড় আকৃতির আনারস রয়েছে। তবে অধিকাংশ আনারসই দেখতে পাকা লালচে এবং সুমিষ্ট ঘ্রাণ সমৃদ্ধ। বিক্রেতারা জানান, মে-জুলাই মাসে আনারসের মৌসুম হওয়ায় এখন পর্যাপ্ত পরিমানে আনারস পাওয়া যাচ্ছে। আর এখনকার আনারসের অধিকাংশই টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস। এছাড়া গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকার কিছু আনারস বাজারে রয়েছে।

আনারসের দাম সম্পর্কে বিক্রেতারা বলেন, খুচরা বাজারে আনারস জোড়া এবং সিঙ্গেল হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এক্ষেত্রে বড় আকৃতির মধুপুরের আনারস জোড়া ১৬০ থেকে ২২০ টাকা এবং প্রতিটি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি ও ছোট আকৃতির আনারস ৫০-৬০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

তবে দাম যেমনই হোক দিনভর বেশ ভালোই আনারসের বিক্রি হচ্ছে বলে জানান গোন্দারদিয়া গ্রামের ভ্যানগাড়িতে করে ফলবিক্রেতা মো. আকুব্বর। তিনি বলেন, এই মৌসুমে গরমের কারণে রসালো ফল আনারসের চাহিদা বাড়ে। তবে আনারসের মৌসুম ও ফল মিষ্টি হওয়ার ফলে সারাদিন বেশ ভালোই বিক্রি হচ্ছে।

মশিউর নামের এক বিক্রেতা বলেন, ভ্যানগাড়িতে বিক্রি করলেও আমাদের বাড়তি কষ্ট আছে। বেশিরভাগ মানুষই আনারস কেটে নিতে চাইছেন। আবার অনেকেই লবণ কিংবা কাসুন্দি মিশিয়ে দিতে বলেন। আমরাও তেমনই যোগান দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে অন্য সময়ের তুলনায় আনারসের বিক্রি অনেক ভালো বলে জানান তিনি।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুখালীতে শুকুর মামুদ স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন। 

মধুখালীতে জমজমাট আনারসের বাজার

Update Time : ০৪:১৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
51

সালেহীন সোয়াদ

ফরিদপুরের মধুখালী বাজারে উঠেছে নানান জাতের আনারস। আর ক্রেতারাও এসব আনারস কিনছেন বেশ আগ্রহ নিয়েই। কারণ ক্লান্তি দূর করতে টক-মিষ্টি স্বাদের বিভিন্ন ফলের জুড়ি নেই। সে হিসেবে সকলের কাছে পছন্দের তালিকায় রয়েছে রসালো ফল আনারস। সকালে মধুখালী আখচাষী কল্যাণ ভবনের সামনে দেখা যায়, তিনটি স্থানে ১৫টি থেকে ২০টি ভ্যানগাড়িতে আনারস সাজানো হয়েছে। এগুলো ভ্যান গাড়িতে করে বিক্রি করা হবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

একেক স্থানে একেক জাতের ছোট, মাঝারি এবং বড় আকৃতির আনারস রয়েছে। তবে অধিকাংশ আনারসই দেখতে পাকা লালচে এবং সুমিষ্ট ঘ্রাণ সমৃদ্ধ। বিক্রেতারা জানান, মে-জুলাই মাসে আনারসের মৌসুম হওয়ায় এখন পর্যাপ্ত পরিমানে আনারস পাওয়া যাচ্ছে। আর এখনকার আনারসের অধিকাংশই টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস। এছাড়া গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকার কিছু আনারস বাজারে রয়েছে।

আনারসের দাম সম্পর্কে বিক্রেতারা বলেন, খুচরা বাজারে আনারস জোড়া এবং সিঙ্গেল হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এক্ষেত্রে বড় আকৃতির মধুপুরের আনারস জোড়া ১৬০ থেকে ২২০ টাকা এবং প্রতিটি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি ও ছোট আকৃতির আনারস ৫০-৬০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

তবে দাম যেমনই হোক দিনভর বেশ ভালোই আনারসের বিক্রি হচ্ছে বলে জানান গোন্দারদিয়া গ্রামের ভ্যানগাড়িতে করে ফলবিক্রেতা মো. আকুব্বর। তিনি বলেন, এই মৌসুমে গরমের কারণে রসালো ফল আনারসের চাহিদা বাড়ে। তবে আনারসের মৌসুম ও ফল মিষ্টি হওয়ার ফলে সারাদিন বেশ ভালোই বিক্রি হচ্ছে।

মশিউর নামের এক বিক্রেতা বলেন, ভ্যানগাড়িতে বিক্রি করলেও আমাদের বাড়তি কষ্ট আছে। বেশিরভাগ মানুষই আনারস কেটে নিতে চাইছেন। আবার অনেকেই লবণ কিংবা কাসুন্দি মিশিয়ে দিতে বলেন। আমরাও তেমনই যোগান দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে অন্য সময়ের তুলনায় আনারসের বিক্রি অনেক ভালো বলে জানান তিনি।