ফরিদপুর ০৯:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মধুখালীতে শুকুর মামুদ স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন।  মধুখালিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা, ধানের শীষের সমর্থক কে দোষারোপ,বিএনপির সম্মেলন  মধুখালী গাজনা পূর্ণচন্দ্র বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদিন ব্যাপিবার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  ফরিদপুর ১ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা ধানের শীষের প্রার্থী নাসিরকে সমর্থন মধুখালী উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ মধুখালীতে নির্বাচনী উঠান বৈঠক স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখে দিতে প্রস্তুত ছাত্রদল মধুখালীতে ছাত্র সমাবেশে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম মধুখালীতে অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় সেনা অভিযানে অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১ মধুখালীতে ট্র্যাক চাঁপায় মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত

মধুখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড়, ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ৪০৬ Time View
40

মফিজুর রহমান মুবিন

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শামসুল ইসলাম বাচু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, গাছ কেটে নেওয়া ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী। এ নিয়ে তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনসমক্ষে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে মধুখালী রেলগেট সংলগ্ন মানবকণ্ঠ প্রতিনিধি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভূক্তভোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও আঃ কাউয়ুম মুন্সী।

সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “১৮ আগস্ট ২০২২ এবং ২২ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে চেয়ারম্যান বাচু আমার কাছে মোট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেছি এবং প্রায় এক লাখ টাকার মেহগুনি গাছ কেটে নিয়ে যান।”

অন্যদিকে আঃ কাউয়ুম মুন্সী বলেন, “৮ মার্চ ও ২৩ নভেম্বর ২০২৪ সালে আমার জমি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মেহগুনি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঘরের আলমারী ভেঙে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয় এবং আরও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।”

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন, যার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শামসুল ইসলাম বাচু বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার সুনাম ক্ষুণ্ন ও সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই একটি পক্ষ এসব অভিযোগ তুলেছে। গাছ কাটার বা চাঁদাবাজির কোনো ঘটনাই ঘটেনি।”

স্থানীয় এলাকাজুড়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুখালীতে শুকুর মামুদ স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন। 

মধুখালীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড়, ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৫:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
40

মফিজুর রহমান মুবিন

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শামসুল ইসলাম বাচু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, গাছ কেটে নেওয়া ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী। এ নিয়ে তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনসমক্ষে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে মধুখালী রেলগেট সংলগ্ন মানবকণ্ঠ প্রতিনিধি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভূক্তভোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও আঃ কাউয়ুম মুন্সী।

সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “১৮ আগস্ট ২০২২ এবং ২২ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে চেয়ারম্যান বাচু আমার কাছে মোট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেছি এবং প্রায় এক লাখ টাকার মেহগুনি গাছ কেটে নিয়ে যান।”

অন্যদিকে আঃ কাউয়ুম মুন্সী বলেন, “৮ মার্চ ও ২৩ নভেম্বর ২০২৪ সালে আমার জমি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মেহগুনি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঘরের আলমারী ভেঙে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয় এবং আরও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।”

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন, যার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শামসুল ইসলাম বাচু বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার সুনাম ক্ষুণ্ন ও সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই একটি পক্ষ এসব অভিযোগ তুলেছে। গাছ কাটার বা চাঁদাবাজির কোনো ঘটনাই ঘটেনি।”

স্থানীয় এলাকাজুড়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।