ফরিদপুর ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মধুখালীতে ধানক্ষেতে থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নাকি হত্যা—রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিকের সংবাদ সম্মেলন মধুখালীতে সোনালী ব্যাংক আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মধুখালীতে মাদক মামলার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মিঠুন সরকার গ্রেফতার মধুখালীতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বৃহৎ ইফতার মাহফিল, প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের অংশগ্রহণ মধুখালী প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মধুখালীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৪৩ পিস ইয়াবাসহ ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক মধুখালীতে ২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মধুখালীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মৌলিক অধিকার হরণের দায়ে আ. লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত : সারজিস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৬৯ Time View
101

মধুখালী কণ্ঠ ডেস্ক :

আওয়ামী লীগকে তাদের কর্মের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক মো. সারজিস আলম। তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে অবৈধ এবং ভণ্ডামির নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।’

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদারীপুরে হতাহতদের পরিবার ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে একটি ধর্ম বানানো হয়েছিল, যেই ধর্মের ধর্মগ্রন্থ ছিল তিনটি, তা হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, আমার দেখা নয়াচীন, এই তিনটি ছিল এই ধর্মের ধর্মগ্রন্থ, এই ধর্মের একটি পোশাক ছিল মুজিব কোট এবং এই ধর্ম পরিচালিত হতো একাত্তরের চেতনায়।

একাত্তরের চেতনা দিয়ে দেশটাকে লুটপাট করেছে, পদ্মা সেতু করতে গিয়ে অর্ধেক টাকা দেশের বাইরে পাচার করে। তারা ১৬ বছরে দেশের ও দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করেনি, তারা রাজনীতি করেছে গোপালগঞ্জের জন্য, দেশের টাকা লুটপাট করার জন্য। বড় বড় ব্যবসায়ী মাফিয়া তৈরি করেছে; যাদের দিয়ে এ দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে কালো টাকার পাহাড় গড়েছে।’সারজিস আরো বলেন, ‘যে সরকার আপনার মূলনীতি থেকে গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছে, সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে এর জন্য তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

মতবিনিময়সভায় সারজিস বলেন, ‘আগে ছিল মাদারীপুরের মাটি শাজাহান খানের ঘাঁটি, এখন হবে মাদারীপুরের মাটি ছাত্র-জনতার ঘাঁটি। তাই ব্যক্তি স্বার্থ বাদ দিয়ে বৃহত্তম সার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।’ 

এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদারীপুরে নিহত ও আহতদের পরিবার ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় সমন্বয়ক হিমুর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন হেমায়েত হোসাইন হিমেল, জাবের বিন নূর, মুফাস্সির হোসেন, আসরাফা খাতুন, আসিফুর রহমান আসিফসহ একাধিক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক।

এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, ‘কেউ কল্পনাও করতে পারে নাই শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাবে।

শেখ হাসিনা নিজেকে সর্বশক্তিমান দাবি করাটাই বাকি ছিল। এ ছাড়া সব কিছুই দেশে হয়েছে। শেখ হাসিনার মতো মানুষের পতন হওয়া, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া, এর থেকে লজ্জাজনক কিছু হতে পারে না। পালিয়ে যাওয়ার সময় নেতাকর্মীদের নিয়েও যেতে পারে নাই।’

সারজিস আলম আরো বলেন, ‘৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক তৈরি হয়েছে।

তাদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদের আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Acting Editor

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুখালীতে ধানক্ষেতে থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নাকি হত্যা—রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য

মৌলিক অধিকার হরণের দায়ে আ. লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত : সারজিস

Update Time : ০৯:৫০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
101

মধুখালী কণ্ঠ ডেস্ক :

আওয়ামী লীগকে তাদের কর্মের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক মো. সারজিস আলম। তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে অবৈধ এবং ভণ্ডামির নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।’

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদারীপুরে হতাহতদের পরিবার ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে একটি ধর্ম বানানো হয়েছিল, যেই ধর্মের ধর্মগ্রন্থ ছিল তিনটি, তা হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, আমার দেখা নয়াচীন, এই তিনটি ছিল এই ধর্মের ধর্মগ্রন্থ, এই ধর্মের একটি পোশাক ছিল মুজিব কোট এবং এই ধর্ম পরিচালিত হতো একাত্তরের চেতনায়।

একাত্তরের চেতনা দিয়ে দেশটাকে লুটপাট করেছে, পদ্মা সেতু করতে গিয়ে অর্ধেক টাকা দেশের বাইরে পাচার করে। তারা ১৬ বছরে দেশের ও দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করেনি, তারা রাজনীতি করেছে গোপালগঞ্জের জন্য, দেশের টাকা লুটপাট করার জন্য। বড় বড় ব্যবসায়ী মাফিয়া তৈরি করেছে; যাদের দিয়ে এ দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে কালো টাকার পাহাড় গড়েছে।’সারজিস আরো বলেন, ‘যে সরকার আপনার মূলনীতি থেকে গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছে, সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে এর জন্য তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

মতবিনিময়সভায় সারজিস বলেন, ‘আগে ছিল মাদারীপুরের মাটি শাজাহান খানের ঘাঁটি, এখন হবে মাদারীপুরের মাটি ছাত্র-জনতার ঘাঁটি। তাই ব্যক্তি স্বার্থ বাদ দিয়ে বৃহত্তম সার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।’ 

এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদারীপুরে নিহত ও আহতদের পরিবার ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় সমন্বয়ক হিমুর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন হেমায়েত হোসাইন হিমেল, জাবের বিন নূর, মুফাস্সির হোসেন, আসরাফা খাতুন, আসিফুর রহমান আসিফসহ একাধিক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক।

এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, ‘কেউ কল্পনাও করতে পারে নাই শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাবে।

শেখ হাসিনা নিজেকে সর্বশক্তিমান দাবি করাটাই বাকি ছিল। এ ছাড়া সব কিছুই দেশে হয়েছে। শেখ হাসিনার মতো মানুষের পতন হওয়া, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া, এর থেকে লজ্জাজনক কিছু হতে পারে না। পালিয়ে যাওয়ার সময় নেতাকর্মীদের নিয়েও যেতে পারে নাই।’

সারজিস আলম আরো বলেন, ‘৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক তৈরি হয়েছে।

তাদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদের আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।